
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা-
সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত রয়েছেন আমার স্বামী শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, পিতা মৃত- মোঃ ইউনুছ শরীফ, গ্রাম-ফতেপুর, থানা জেলা বাগেরহাট। আমার স্বামী জন্মলগ্ন থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮৫ ইং সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল বেমরতা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি, বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজ ছাত্র সংসদে নির্বাচিত সমাজকল্যাণ সম্পাদক, জেলা ছাত্র দলের সাবেক প্রচার সম্পাদক, জেলা যুব দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা তাঁতী দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ও জেলা শাখার সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় সদস্য।বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক প্রকাশনা সম্পাদক সহ জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে ভুমিকা পালন করায় হামলা মামলা শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকবার। ব্যবসা-বাণিজ্যে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করিতেছি। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুরু হলে আমার স্বামী শরীফ মোস্তফাজামান লিটু ঢাকার কর্মজীবন বন্দ করে বাগেরহাটে এসে বাগেরহাট -২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেনের প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনে দলের সিনিয়র নেতা হিসেবে সদরের রাখালগাছি ইউনিয়নের সাংগঠনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয় তার উপর। তিনি নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেন। রাখালগাছি ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল বিকাল রাতে ধানের শীষে ভোটের লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। ঐ ইউনিয়নের নেতাকর্মীগন আমার স্বামী শরীফ মোস্তফাজানান লিটুর সাথে নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু আমরা হতাশ হয়েছি নির্বাচনে পরাজয় বরণ করে। সমাজের দর্পণ সাংবাদিক ভাইয়েরা-
আপনারা নিশ্চয়ই আরো অবগত রয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে বাগেরহাট -২ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। গত ১৩ ফেব্রুয়ারী সদর উপজেলার গোটা পাড়া ইউনিয়নের পার নওয়াপাড়া এলাকায় গোষ্ঠীগত সহিংসতায় ওই এলাকার শাহজাহান সরদার এর ছেলে ওসমান গনি সরদার আহত হয়ে পরের দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে। ওই ঘটনায় ১৭ ফেব্রুয়ারি মৃত ওসমান গনি সরদারের ভাই মোঃ এনামুল কবির বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ-পূর্বক ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলার এজাহারে আমার স্বামীকে ১৩ নাম্বার আসামি করিয়াছে। সেখানে তার নাম এবং বাবার নাম ইচ্ছাকৃত ভুল লিখিয়াছে। প্রিয় কলম সৈনিক ভাইয়েরা- হত্যা মামলার এজাহারে গোষ্ঠীগত সহিংসতার কথা উল্লেখ ররেছে। তাছাড়া আমার স্বামী কখনো ওই ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় যাই নাই। এমনকি কাউকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাবিত করেন নাই। তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। আর এ কারণেই তাকে হয়রানিও ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য মিথ্যা মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়াছে। আপনারা সমাজের দর্পণ। দয়া করে আমার স্বামী শরীফ মোস্তফাজামান লিটুর নাম যাতে এই মামলা থেকে দ্রুত প্রত্যাহার হয় আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের নিকট আমি সে দাবি জানাচ্ছি। ধৈর্য ধরে আমার কথা শোনার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
ধন্যবাদান্তে_
নাম- সাদেকা জামান মমি
স্বামী : শরীফ মোস্তফাজামান লিটু